এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যেতে সব ধরনের আয়োজন শেষ করেছে সরকার। এরইমধ্যে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে চায়, রোহিঙ্গাদের এমন একটি দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখান থেকে যেকোনো সময় ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তারা। স্থানান্তর নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আপত্তিকে নাচক করে তাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়ার তিন বছর পেরিয়েছে বেশ আগেই। আন্তর্জাতিক মহলের মায়া-কান্না কিংবা মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি- বাস্তবে কোনকিছূই কাজে আসেনি। শুরু হয়নি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। বরং ১১ লাখ রোহিঙ্গার বোঝাঁ বইতে গিয়ে ঝুঁকিতে পড়েছে কক্সবাজারের আর্থ-সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। হুমকিতে পড়ে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি। এমন অবস্থায় অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করতে যাচ্ছে সরকার।
রোহিঙ্গাদের জন্য পাকা দালানকোঠা, রাস্তাঘাট, সাইক্লোন সেন্টার, হাসপাতাল, বিদ্যুৎসেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও জীবীকা নির্বাহের ব্যবস্থাসহ যাবতীয় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রস্তুত ভাসানচর। এরইমধ্যে দেশীয় কিছু এনজিও সংস্থা রোহিঙ্গাদের সেবা দিতে ভাসানচরে পৌছেছে।
রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত না করার অভিযোগ তুলে বিবৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। স্থানান্তর প্রক্রিয়া যেন স্বেচ্ছায় হয়-এমন তাগিদ ইউরোপীয় ইউনিয়নের। তবে কোন কোন সংস্থা সরাসরি আপত্তি জানিয়েছে।
রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা না রেখে এই ধরনের আপত্তি জানানোর প্রেক্ষিতে জাতিসংঘের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এরইমধ্যে স্বেচ্ছায় যেতে চাওয়া রোহিঙ্গাদের একটি দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে। যেকোন সময় ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ৪০ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচর দেখাতে নিয়ে যায় সরকার। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় তারা সেখানে থাকতে উচ্ছাস প্রকাশ করলেও কক্সবাজার ক্যাম্পে ফিরে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় ভিন্ন অভিমত দেয়।
Saturday, December 5, 2020
Author: md mahmudul hasan
দেশ ৭১ নিউজ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আমরা আইনীভাবে বাংলার খবর শেয়ার করছি। আমরা বর্তমানের খবরের সাথে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।
0 coment rios: