নির্বাচন বা গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয় সরকারের বিদায় ঘটবে গণআন্দোলনে। মনে করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। বলছেন, অন্যায়ের মাত্রা এতটাই তীব্র মানুষ সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য বিএনপি বা প্রথাগত কোন বিরোধী দলের নেতৃত্বর উপরও ভরসা রাখে না। তাঁর আক্ষেপ, আমেরিকায় নির্বাচন হয়, চীন-ভারত যুদ্ধ করে কিন্তু বাংলাদেশেই করোনার ছুতায় রাজনীতিকরা ঘরে বসে থাকে।
জাসদ নেতা, পরে ডাকসুর ভিপি, ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও। মাহমুদুর রহমান মান্নার এসব পরিচয় এখন অতীত। বর্তমান নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক। যিনি সরকারের সমালোচনায় বরাবর নির্দয়।
তাঁর আশঙ্কা, বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকিসিন দেয়ার কথা বললেও আসলে কূটনৈতিক ব্যর্থতায় সরকারের পুরো প্রক্রিয়াই ভেস্তে যাবে।
বলছেন, ভোট, নির্বাচন, গণতন্ত্র নিয়ে তারা রাজনীতিবিদরা কথা বললেও, মানুষ এখন আর ওসব নিয়ে ভাবে না।
সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব প্রতিবাদ আর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেদের ব্যর্থতাও স্বীকার করেন তিনি।
ঠিক এই মুহূর্তে দেশের প্রশাসনের উপর সরকারের প্রভাব আছে কি-না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মান্না।
করোনা পরিস্থিতি-ভ্যাকসিন, দারিদ্র আর মানুষের দুর্দশা এসব নিয়ে অচিরেই জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা না গেলে পুরো দেশই মুখথুবরে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, মাহমুদুর রহমান মান্নার।