নারায়ণগঞ্জে মসজিদে এসি বিস্ফোরণে শিশুসহ ১১ জনের মৃত্যু । আরো ২৫ জনের বেশিরভাগের শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। শুক্রবার এশার নামাজের সময় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একইসাথে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে পুরো এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
শুক্রবার এশার নামাজের ফরজ শেষ করে পরবর্তী নামাজ আদায়ে দাঁড়িয়েছিলেন মুসল্লীরা। এরইমাঝে ঘটে বিস্ফোরণ। প্রায় একইসময়ে মসজিদের ৬টি এসি বিস্ফোরিত হয়। এতে অর্ধশতাধিক মানুষ পুড়ে যান।
এই ঘটনায় দগ্ধদের উদ্ধার করে পাঠানো হয় রাজধানীতে। রাত ৯টার পর শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রথমে চার জনকে ভর্তি করা হয়। পরে আরো প্রায় অর্ধশত মানুষকে আনা হয় হাসপাতালে।
দগ্ধদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ফায়ার সার্ভিস বলছে, মসজিদের ফ্লোরের নিচ দিয়ে যাওয়া গ্যাস লাইনের লিকেজ ছিলো। দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ভিতরে গ্যাস জমা হয়।
আহতদের কয়েকজনকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।